ভাটারা থানার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া হত্যাচেষ্টা মামলায় আত্মসমর্পণ করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা অপু বিশ্বাস।
তিনি রবিবার (১৩ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত ১০ হাজার টাকার বন্ডে তাকে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত জামিন দেন।
এর আগে, গত ১০ জুলাই অপু বিশ্বাস হাইকোর্ট থেকে পাওয়া ছয় সপ্তাহের আগাম জামিনের মেয়াদ শেষের দিকে থাকায় বিচারিক আদালতে জামিননামা দাখিল করেছিলেন। সে সময়ই জানানো হয়েছিল, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি শিগগির আত্মসমর্পণ করবেন। আজ সেই অনুযায়ী তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন এবং জামিন পান।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর ভাটারা থানার সামনে ‘জুলাই আন্দোলন’-এর সময় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এঘটনায় এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি পায়ে গুলিবিদ্ধ হন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে এনামুল হক সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৩০০–৪০০ জনকে আসামি করে ঢাকার সিএমএম আদালতে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় অপু বিশ্বাস ছাড়াও অভিনেত্রী আসনা হাবিব ভাবনা, নুসরাত ফারিয়া, অভিনেতা জায়েদ খানসহ মোট ১৭ জন তারকাকে আসামি করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তারা ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে অর্থ ও সমর্থন দিয়েছেন। এর আগে, মামলার আরেক আসামি নুসরাত ফারিয়াকে গত ১৮ মে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হলে ২০ মে জামিনে মুক্তি পান তিনি। অপু বিশ্বাসের আইনজীবী জানান, জামিন আদেশের পর এখন মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।