মাশরুম প্যাকেটিং যন্ত্র আবিষ্কার করে তাক লাগালেন রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত দক্ষিণ সুরমার কৃষক সৈয়দুর রহমান। যিনি তার ব্যতিক্রমী উদ্ভাবনী শক্তির মাধ্যমে সিলেটের কৃষি উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তিনি মাশরুম চাষে আগ্রহী ব্যক্তিদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণও দেন।
তিনি ভিন্ন ধরনের ফল ও ফসল উৎপাদন করে দেশের কৃষি উন্নয়নে অবদান রাখছেন। শুধু মাশরুম চাষ নয় তিনি অন্যদেরও মাশরুম চাষে আগ্রহী করে তুলছেন এবং হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। তিনি তার উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে সিলেটের কৃষি উন্নয়নে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
কৃষির নিত্যনতুন জাত ও প্রযুক্তি নিয়ে বরাবরই আগ্রহ মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের মন্দিরখলা গ্রামের কৃষক সৈয়দুর রহমানের। নতুন কোনো প্রযুক্তি পেলে সেটাকে সফল করতে তিনি সিদ্ধহস্ত। প্রতিবছর নিত্যনতুন সবজি আবাদের পাশাপাশি প্রযুক্তি আবিষ্কারেও বসে নেই তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় এবারকার আবিষ্কার মাশরুম প্যাকেটিং যন্ত্র।
এই যন্ত্রের সাহায্য কমসংখ্যক জনবল নিয়ে অধিক পরিমাণে মাশরুম প্যাকেটিং করা যাবে দ্রুততম সময়ে। সময় ও শ্রমের সাশ্রয়ের ফলে মাশরুম চাষিরা এ যন্ত্রের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হবে।
কৃষক সৈয়দুর রহমানের নতুন আবিষ্কার দেখতে প্রতিদিন তার বাড়িতে যাচ্ছেন অনেকেই, এবিষয়ে জানার চেষ্টা করছেন। তেমনি একজন সিলেট নগরীর বাগবাড়ীর বাসিন্দা আনিসুর রহমান। তিনি লোকমুখে শুনে নতুন এ প্যাকেটিং যন্ত্র দেখতে এসেছেন।
তিনি বলেন, মাশরুম চাষিদের জন্য এটা একটা সহায়ক উপাদান। এর মাধ্যমে কম সময়ে অধিক পরিমাণে মাশরুম প্যাকেট করা যাবে। তিনি সৈয়দুর রহমানের সফলতা কামনা করেন।
কৃষি উদ্দোক্তা সৈয়দুর রহমান বলেন, কৃষি এবং কৃষকের উন্নয়নের জন্য আমার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নতুন জাতের ফসল ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন আমার নেশা। মাশরুম চাষিদের জন্য এবারকার উদ্ভাবন প্যাকেটিং যন্ত্র। সময় ও শ্রমের সাশ্রয়ে এ যন্ত্রের বিকল্প নেই। তিনি এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।