জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন শুরুর আগে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) এবং ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) কর্মকর্তাদের ভিসা অস্বীকার ও বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক মিত্রদেশ যখন ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিএনএন জানিয়েছে, জাতিসংঘ সদর দপ্তর চুক্তি অনুযায়ী ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জাতিসংঘ মিশন বিশেষ ছাড় পাবে। কিন্তু শুক্রবার সকালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভিসা নিষেধাজ্ঞার কারণে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং চলমান গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনিদের উপস্থিতি মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে যেতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ডেপুটি মুখপাত্র টমি পিগট এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, আজ ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করছে, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের আগে আইন অনুযায়ী তারা পিএলও এবং পিএ কর্মকর্তাদের ভিসা অস্বীকার ও বাতিল করবে। শান্তির অংশীদার হিসেবে গুরুত্ব পাওয়ার আগে পিএ এবং পিএলওকে সম্পূর্ণভাবে সন্ত্রাসবাদ প্রত্যাখ্যান করতে হবে এবং একতরফাভাবে কল্পিত রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাওয়ার প্রচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।
তবে কতজন কর্মকর্তার ভিসা বাতিল বা প্রত্যাহার করা হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত এখনো জানানো হয়নি বলে উল্লেখ করেছে সিএনএন। এর আগে জুলাই মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষণা করেছিল, পিএ এবং পিএলওর কিছু কর্মকর্তার মার্কিন ভিসা বাতিল করা হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের শুক্রবারের বিবৃতিতে বলা হয়ে, আন্তর্জাতিক আইন ব্যবহার করে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) আপিলের মাধ্যমে সমাধান খোঁজার চেষ্টা থেকেও পিএকে সরে আসতে হবে। এসব প্রচেষ্টা আলোচনার পথকে পাশ কাটিয়ে একতরফাভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।